গরমকালে সুস্থ থাকতে সকালে কী খাওয়া উচিত, তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, খালি পেটে কিছু ভেজানো বীজ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে।
সুস্থ থাকতে
নাস্তা বলতে আমরা সাধারণত মুখরোচক কোনো খাবারকেই বুঝি। বিশেষ করে মসলাদার, ডুবো তেলে ভাজা অথবা অতিরিক্ত লবণ কিংবা চিনি মিশ্রিত নানা খাবার। কিন্তু এসব খাবারই সুস্থ থাকার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
বাঙালি রান্নাঘরে মাছ মানেই আলাদা আবেগ। রুই,কাতলা থেকে শুরু করে নানা রকম ছোট মাছ-প্রতিটিরই নিজস্ব স্বাদ ও পুষ্টিগুণ আছে।
তীব্র গরমে শরীরের ক্লান্তি যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে যায়। তাই এসময় চাই স্বস্তিদায়ক কিছু খাবার। যা খাবার তালিকায় রাখা বাঞ্ছনীয়।
প্রচণ্ড গরমে বাড়ছে ক্লান্তি, পানিশূন্যতা ও হজমজনিত সমস্যা। এমন অবস্থায় চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা বলছেন—এই সময় খাদ্য তালিকায় হালকা, জলীয় উপাদানযুক্ত সবজি রাখলে শরীর থাকবে ঠাণ্ডা ও সতেজ।
শীতে অনেকের জ্বর, সর্দি, কাশির সমস্যা লেগেই থাকে। এ কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
প্রকৃতিতে অসংখ্য খাবার রয়েছে। বেঁচে থাকতে আমরা সেসব খাবার খেয়ে থাকি। নানারকম সবজি, ফল, শস্য আমাদের দীর্ঘজীবন এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শক্তি দেয়। তবে কিছু খাবার আমাদের জন্য উপকারি, কিছু ক্ষতিকর।
শীতকালে সর্দি-কাশি, জ্বর, গলাব্যথার মতো সমস্যাগুলো বাড়ে। আর তখনই সুস্থ হতে তাৎক্ষণিক ওষুধই ভরসা হয়ে ওঠে। তবে সাময়িক সুস্থ হলেও কিছুদিন পর আবার সেই সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধান জরুরি। তার জন্য ভরসা হতে পারে কমলা রঙের ৩ ফল। শীতের বাজারে খুঁজলেই পেয়ে যাবেন।
শীত এখনো পুরোপুরি জেঁকে বসেনি, তাতেই জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগছেন কমবেশি সবাই।
সুস্থ থাকতে হাঁটার বিকল্প নেই। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় হাঁটা, শরীরচর্চা করা আর পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি রোগব্যাধি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারে।